এখন সবার ত্বকের সমস্যার একটাই সমাধান... একবার চেষ্টা করেই দেখুন না!

শীতকাল এসে গিয়েছে। মৌসুমী বায়ু যেই না পরিবর্তন হয়েছে সঙ্গে সঙ্গে আমাদের হাত-পা এবং ত্বকের অন্যান্য সমস্যাও শুরু হয়ে গেছে। বিশেষ করে শুষ্ক হাওয়া ত্বকে লাগার সঙ্গে সঙ্গেই স্বাভাবিক আর্দ্রতা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আর তার ফলেই হচ্ছে রুক্ষ শুষ্ক নিস্তেজ ত্বক। কিন্তু শীতকাল মানেই তো ঘুরেফিরে বেড়ানোর সময়। সেখানে কি এই শুষ্ক নিষ্প্রাণ ত্বক নিয়ে বাইরে বেরোনো সম্ভব? মোটেই না। তাই শীতকালে ত্বকের চাই একটু বেশি কেয়ার। তবে খুব বেশি পণ্য ব্যবহার করা যাবে না। কি এমন জিনিস যাতে অল্প যত্ন নিলেই সুস্থ উজ্জ্বল ত্বকের চাবিকাঠি পাওয়া যাবে। আজকের পর্বে রইল তারই খোঁজ।

Share

শীত পড়লেই শরীরে কম বেশি ব্যথা বাড়ে? কেন হয়? এর ঘরোয়া সমাধান কি?

 শীতকালে আমাদের মাঝেমধ্যে হাড়ের যন্ত্রণা অথবা পেশির টান বেশি দেখা যায়। তাই প্রবল শীতে যখন অন্যরা শীতকালকে উপভোগ করার জন্য বসে থাকে ঠিক তখনই অনেকে ব্যথা, যন্ত্রণায় কাবু হয়ে পড়ে। কারণ শীতকালে শরীরের রক্ত সঞ্চালন কমে যায়। শরীর শীতল হয়ে পড়ে। আর এই কারণেই মাংসপেশি এবং জয়েন্ট গুলোতে প্রচন্ড ব্যথা অনুভূত হয়। এই ব্যথা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় হাটু কোমর এবং ঘাড়ের মতো জায়গাতে। গরম আবহাওয়া থেকে দ্রুত শীতের তাপমাত্রা সহ্য করার ক্ষমতা অনেকের শরীরেই থাকেনা। আর এই কারণেই অস্থি সন্ধিতে  যন্ত্রনা বৃদ্ধি পায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যাদের বাতের সমস্যা রয়েছে ক্ষেত্রে শীতকাল অনেক ভয়ানক হয়ে সামনে

Share

হাতের ত্বক কুঁচকে যাচ্ছে? ভয় নেই একটাই সমাধান

শীতকাল মানেই রুক্ষ শুষ্ক ত্বক। তবে বিশেষ করে যে জায়গা গুলি খোলা থাকে যেমন হাত এগুলি একটু বেশি শুষ্ক হয়ে যায়। আবার অনেকের অতিরিক্ত রুক্ষ হয়ে যাওয়ার কারণে হাত ফেটেও যায়। শীতের ঠান্ডা বাতাস স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমিয়ে দেয়। যে কারণে বারবার হাত ধোয়া হাত অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যাবার সমস্যা বেশি দেখা দেয়। তাই হাতে অতিরিক্ত সুরক্ষা নেওয়া প্রয়োজন। সব সময় পার্লার যাওয়া অনেকের পক্ষেই সম্ভব হয় না। তাই সামান্য কিছু নিয়মের পরিবর্তন এবং নিজের সামান্য যত্ন নিলেই এই সমস্যা থেকে আমরা মুক্তি পেতে পারি।  যেমন হাতের অতিরিক্ত যত্ন নিতে হলে আমাদের গ্লাভস ব্যবহার করা যেতে পারে। কারণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বাস

Share

হাতের তালু চুলকানি হলে টাকা আসে!!!

হাতের তালু চুলকানি হলে টাকা আসে" — এটি একটি বহুল প্রচলিত লোককথা বা কুসংস্কার । বাংলাদেশের মতো অনেক দক্ষিণ এশিয় দেশেই এই বিশ্বাস দেখা যায়। এখন চলুন বিস্তারিতভাবে জানি এই বিষয়টি বাস্তবতা, বিশ্বাস ও ব্যাখ্যা সহ:

Share

একটি পূর্ণবয়স্ক নিমগাছ একসাথে ১০টি এসির কাজ করতে পারে?

একটি পূর্ণবয়স্ক নিমগাছ একসাথে ১০টি এসির কাজ করতে পারে? হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন!
এটা শুধু ছায়া দেয় না, আপনার বাড়ির চারপাশে তাপমাত্রা কমিয়ে তৈরি করে একটি প্রাকৃতিক "মাইক্রোক্লাইমেট", যেখানে গরম কম, বাতাস ঠান্ডা আর নিঃশ্বাসটা অনেক বেশি স্বস্তিদায়ক।নিমগাছের ছায়াতলে তাপমাত্রা বাইরের তুলনায় ৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কম থাকতে পারে। আর এটা শুধু গরম ঠান্ডা নয়, নিমগাছ হলো প্রকৃতির এক পরিবেশদূত।

 

Share

বাড়ছে অনলাইন স্ক্যাম!এই বিপত্তির হাত থেকে কিন্তু মুক্তি পাওয়া মোটেই সহজ নয়

বর্তমানে যত বেশি অনলাইনে কেনাকাটা বাড়ছে ততই বাড়ছে অনলাইন স্ক্যাম। আর এই বিপত্তির হাত থেকে কিন্তু মুক্তি পাওয়া মোটেই সহজ নয়।

Share

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রিয় পানীয় বনভিটা, কথাটা কতটা সত্যি!

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রিয় পানীয় বনভিটা??? কথাটা কতটা সত্যি!

যদিও একটি বিজ্ঞাপন হঠাৎ করেই বাঙালি জাতিকে চমকে দিয়েছিল। তাদের প্রাণের ঠাকুর সংবাদপত্রের দাবি করেছেন এই পানীয় খেয়ে তিনি ভীষণ উপকার পেয়েছেন। রাতারাতি বাঙালি সমাজের মধ্যে হুলুস্থুল পড়ে যায়। কবিগুরু বলেছেন যখন অবশ্যই এই পানীয়তে কিছু তো ম্যাজিক রয়েছে। রাতারাতি কোম্পানী প্রচুর মুনাফা কামিয়ে নিয়েছিল। কিন্তু এই ঘটনার পেছনের আসল ইতিহাসটা ঠিক কি। আসলে এটি আর বাকি পাঁচটা বিজ্ঞাপনের মতই খুব সাধারণ একটি বিজ্ঞাপন।

Share

গ্লাসের সাথে গ্লাস লাগিয়ে চিয়ার্স করার প্রথা

গ্লাসের সাথে গ্লাস লাগিয়ে চিয়ার্স (টোস্ট)  করার প্রথা এসেছে মধ্যযুগের ওয়াইনে বিষ মিশিয়েছে কি না তা চেক করার থেকে???

Share

শঙ্খ (শাঁখ) কেন তিনবার বাজানো হয়

শঙ্খ (শাঁখ) কেন তিনবার বাজানো হয় — এর পেছনে আছে ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক কারণ।

 ত্রিদেব বা তিন শক্তির প্রতীক —
তিনবার শঙ্খ বাজানো মানে ব্রহ্মা (সৃষ্টি), বিষ্ণু (পালন) ও মহেশ (সংহার) — এই তিন দেবতার শক্তিকে আহ্বান করা।
তাই অনেক পূজায়, আরতি বা মন্দিরে শঙ্খ তিনবার বাজানো হয় এই তিন শক্তিকে স্মরণ করে।


ত্রিকাল স্মরণ (ভূত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ) —
শঙ্খ তিনবার বাজানো মানে তিন কালের দেবতাকে ও সময়ের চক্রকে স্মরণ করা।

Share

এই ভাবেও ফিরে আসা যায়?

এলি লোবেলের বয়স ছিলো মাত্র ২৭ বছর, যখন তিনি জঙ্গলে হাঁটতে গিয়ে পোকার কামড় খান। আপাতদৃষ্টিতে খুবই সামান্য একটা কামড়, একটু জ্বালাপোড়া ও লাল ত্বক - তাই এলি তেমন পাত্তা দেননি।কিন্ত মাস ঘুরতেই দেখা গেলো এলির সারা শরীর জুড়ে অসহ্য ব্যাথা। ক্রমাগত কাশি ও শ্বাসকষ্ট। এবং সেই সাথে তাঁর স্মৃতিশক্তিও কমে আসতে লাগলো।এলি ডাক্তারের কাছে গেলেন। কেউ বললেন ফ্লু, কেউ বললেন ভাইরাল ইনফেকশন, কেউ বললেন আর্থ্রাইটিস, আবার কারো মতে এটা ইমিউন সিস্টেমেরই সমস্যা। কিন্ত কেউই সল্যুশন দিতে পারলেননা। ধীরে ধীরে এলির অবস্থা খারাপের দিকে যেতে লাগলো।

Share

Pages