NEWS TIME

'আমপাতা জোড়া জোড়া / মারব চাবুক, চড়ব ঘোড়া।ওরে বিবি সরে দাঁড়া / আসছে আমার পাগলা ঘোড়া।পাগলা ঘোড়া খেপেছে / বন্দুক ছুড়ে মেরেছে…'
শৈশবে খেলতে খেলতে হাততালি দিয়ে এই ছন্দে মেতে উঠা হয়। এক দেখায় মনে হয় এক মজার খেলার গান। কিন্তু ইতিহাসে খোঁজ নিলে দেখা যায়-'পাগলা ঘোড়া', 'চাবুক', 'বন্দুক'-সবই কলকাতার মাউন্টেড পুলিসের দাপট ও ব্রিটিশ আমলের সামাজিক স্মৃতিকে তুলে ধরে। শিশুদের নিরীহ খেলার আড়ালে লুকানো আছে ভয়, শাস্তি এবং ঔপনিবেশিক দমননীতির দীর্ঘ ছায়া। আর এই গল্প কম বেশি প্রায় অনেকেই জানেন না।

পিলবোট হলো একটি ছোট রোবোটিক ক্যাপসুল — দেখতে প্রায় বড়সড় ওষুধের পিলের মতো। এটা তৈরি করেছে আমেরিকার কোম্পানি 'Endiatx'. এর ভেতরে রয়েছে —
ক্ষুদ্র ক্যামেরা,
বেতার যোগাযোগ ব্যবস্থা (wireless transmitter),
ছোট মোটর ও প্রপেলার,
ব্যাটারি।
এই সব একসাথে মিলে এটাকে মানুষের শরীরের ভেতরে স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে সাহায্য করে।
কীভাবে কাজ করে
1. রোগী ক্যাপসুলটা জল দিয়ে গিলে ফেলে।
2. ক্যাপসুলটি পাকস্থলীতে পৌঁছে যায়।
3. ডাক্তার মোবাইল বা কম্পিউটারের মাধ্যমে এটাকে রিমোট কন্ট্রোল করতে পারেন (যেমন ড্রোন চালানো হয়)।

বর্তমানে যেভাবে স্ক্যাম বাড়ছে সেখানে সাবধান আমাদের নিজেদেরকেই হতে হবে। তাই আজ হাজির হলাম আর একটা নতুন স্ক্যাম বলতে এবং সেখান থেকে কিভাবে রক্ষা পাবেন সেটাও জানাতে। বর্তমানে আমাদের ফোনে এক বিশেষ ধরনের মেসেজ আসে যেখানে বলা হয়েছে আমাদের অ্যাকাউন্টে পাঁচশ কিংবা হাজার টাকা এসেছে। তার পরমুহূর্তেই একটা ফোন আসবে আমাদের কাছে অথবা মেসেজ যেখানে সেই ব্যক্তি বলবে যে আপনার কাছে ওই টাকা ভুল করে চলে গেছে এবং সেই টাকা ফেরত চাইবে।


বাপুজি কেক হলো পশ্চিমবঙ্গের একটি নস্টালজিক “টিফিন কেক” — অর্থাৎ স্কুল-টিফিনে বা চায়ের সঙ্গে খাওয়ার জন্য জনপ্রিয়।
এটি -এর দশকে “New Howrah Bakery'' থেকে বাপুজি কেক বাজারে আসে।
প্রথম দামে এটা ০.৬০ পয়সায় বিক্রি হতো। সময়ের সঙ্গে দাম ও চাহিদা পরিবর্তিত হয়েছে; এখনো কিছু মানুষ এটিকে পুরনো দিনের স্মৃতিচারণ হিসেবে ভালবাসে।


হাতের তালু চুলকানি হলে টাকা আসে" — এটি একটি বহুল প্রচলিত লোককথা বা কুসংস্কার । বাংলাদেশের মতো অনেক দক্ষিণ এশিয় দেশেই এই বিশ্বাস দেখা যায়। এখন চলুন বিস্তারিতভাবে জানি এই বিষয়টি বাস্তবতা, বিশ্বাস ও ব্যাখ্যা সহ:

একটি পূর্ণবয়স্ক নিমগাছ একসাথে ১০টি এসির কাজ করতে পারে? হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন!
এটা শুধু ছায়া দেয় না, আপনার বাড়ির চারপাশে তাপমাত্রা কমিয়ে তৈরি করে একটি প্রাকৃতিক "মাইক্রোক্লাইমেট", যেখানে গরম কম, বাতাস ঠান্ডা আর নিঃশ্বাসটা অনেক বেশি স্বস্তিদায়ক।নিমগাছের ছায়াতলে তাপমাত্রা বাইরের তুলনায় ৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কম থাকতে পারে। আর এটা শুধু গরম ঠান্ডা নয়, নিমগাছ হলো প্রকৃতির এক পরিবেশদূত।

বর্তমানে যত বেশি অনলাইনে কেনাকাটা বাড়ছে ততই বাড়ছে অনলাইন স্ক্যাম। আর এই বিপত্তির হাত থেকে কিন্তু মুক্তি পাওয়া মোটেই সহজ নয়।
![]()

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রিয় পানীয় বনভিটা??? কথাটা কতটা সত্যি!
যদিও একটি বিজ্ঞাপন হঠাৎ করেই বাঙালি জাতিকে চমকে দিয়েছিল। তাদের প্রাণের ঠাকুর সংবাদপত্রের দাবি করেছেন এই পানীয় খেয়ে তিনি ভীষণ উপকার পেয়েছেন। রাতারাতি বাঙালি সমাজের মধ্যে হুলুস্থুল পড়ে যায়। কবিগুরু বলেছেন যখন অবশ্যই এই পানীয়তে কিছু তো ম্যাজিক রয়েছে। রাতারাতি কোম্পানী প্রচুর মুনাফা কামিয়ে নিয়েছিল। কিন্তু এই ঘটনার পেছনের আসল ইতিহাসটা ঠিক কি। আসলে এটি আর বাকি পাঁচটা বিজ্ঞাপনের মতই খুব সাধারণ একটি বিজ্ঞাপন।

গ্লাসের সাথে গ্লাস লাগিয়ে চিয়ার্স (টোস্ট) করার প্রথা এসেছে মধ্যযুগের ওয়াইনে বিষ মিশিয়েছে কি না তা চেক করার থেকে???


শঙ্খ (শাঁখ) কেন তিনবার বাজানো হয় — এর পেছনে আছে ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক কারণ।
ত্রিদেব বা তিন শক্তির প্রতীক —
তিনবার শঙ্খ বাজানো মানে ব্রহ্মা (সৃষ্টি), বিষ্ণু (পালন) ও মহেশ (সংহার) — এই তিন দেবতার শক্তিকে আহ্বান করা।
তাই অনেক পূজায়, আরতি বা মন্দিরে শঙ্খ তিনবার বাজানো হয় এই তিন শক্তিকে স্মরণ করে।

ত্রিকাল স্মরণ (ভূত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ) —
শঙ্খ তিনবার বাজানো মানে তিন কালের দেবতাকে ও সময়ের চক্রকে স্মরণ করা।

এলি লোবেলের বয়স ছিলো মাত্র ২৭ বছর, যখন তিনি জঙ্গলে হাঁটতে গিয়ে পোকার কামড় খান। আপাতদৃষ্টিতে খুবই সামান্য একটা কামড়, একটু জ্বালাপোড়া ও লাল ত্বক - তাই এলি তেমন পাত্তা দেননি।কিন্ত মাস ঘুরতেই দেখা গেলো এলির সারা শরীর জুড়ে অসহ্য ব্যাথা। ক্রমাগত কাশি ও শ্বাসকষ্ট। এবং সেই সাথে তাঁর স্মৃতিশক্তিও কমে আসতে লাগলো।এলি ডাক্তারের কাছে গেলেন। কেউ বললেন ফ্লু, কেউ বললেন ভাইরাল ইনফেকশন, কেউ বললেন আর্থ্রাইটিস, আবার কারো মতে এটা ইমিউন সিস্টেমেরই সমস্যা। কিন্ত কেউই সল্যুশন দিতে পারলেননা। ধীরে ধীরে এলির অবস্থা খারাপের দিকে যেতে লাগলো।

বৌদ্ধ ধর্মে বলা হয়েছে, বর্তমান নেপালের লুম্বিনিতে, খ্রিস্টপূর্ব ৬২৩ অব্দে গৌতম বুদ্ধ জন্মগ্রহণ করেন। ৫৮৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দের এই দিনে গৌতম বুদ্ধ সাধনায় সিদ্ধিলাভ করেছিলেন। পাশাপাশি ৫৪৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দের এই একই দিনে তিনি মহানির্বাণ লাভ করেছিলেন। সিদ্ধার্থের বুদ্ধত্বলাভের মধ্য দিয়েই জগতে বৌদ্ধধর্ম প্রবর্তিত হয়।

ঠনঠনিয়া কালী বাড়ির নামের পেছনের অজানা ইতিহাস

হুগলী জেলার বিখ্যাত ও বর্ধিষ্ণু জনপদ গোপতিপাড়া বা গুপ্তিপাড়া







