হাঁটুর ব্যথায় অব্যর্থ এক আয়ুর্বেদিক ঘরোয়া তেল

বর্তমান সময়ে বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে যে সমস্যাটা ভীষণভাবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে সেটা হল হাঁটুর সমস্যা।৪০ একটু পেরোলেই যেন হাঁটুর সমস্যায় ভোগা মহিলার সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।কিন্তু কেন তার প্রধান কারণ হলো ৪০ বছর হয়ে যাওয়ার পর এই মহিলাদের মধ্যে মেনোপজের মতন সমস্যা হয়।আর সেখান থেকেই হয় হাঁটুর সমস্যার মতন জোরালো সমস্যা।এই হাঁটুর সমস্যা এতটাই ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে মাঝে মধ্যে যে হাঁটাচলা তো দূর কোথাও দাড়িয়ে থাকাও যায় না।হাঁটু যেন একদম আটকে যায় যাকে বলে স্টিফ নি।তবে সে ক্ষেত্রে আমরা সবার আগে চিকিৎসকের কাছেই যাই এবং সেটাই উচিত।তবে চিকিৎসকের কাছে গেলেই আমাদের মুঠো মুঠো পেইন কিলার দিয়ে দেয়।আমাদের হাঁটাচলা করা বা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে তাই ওষুধের ওপরেই আমরা কিছুটা নির্ভর হয়ে পড়ি।তবে এক্ষেত্রে বলবো শুধুমাত্র ওষুধ নয়,এমন এক ঘরোয়া পদ্ধতি রয়েছে সেটা যদি নিয়মিত ব্যবহার করা যায় সে ক্ষেত্রে হাঁটুর সমস্যা থেকে চিরতরে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

কিভাবে?তাহলে চলো বলি আজকের সেই সমাধান।এক আয়ুর্বেদিক ঘরোয়া তেল,যে ঘরোয়া তেল কিন্তু আজকে নয়, আজ থেকে কয়েকশো বছর আগেও ব্যবহার করা হতো। বিশেষ করে আমাদের মা ঠাকুমারা এই তেলের ওপরেই বেশি জোর দিতেন ওষুধ খাবার থেকে।কি সেই তেল? বলবো তার উপকরণ,প্রথমেই দু চামচ সরষের তেল নিতে হবে যেটা খুব সহজেই আমরা রান্না ঘরে পেয়ে যাব।সেই সঙ্গে লাগবে কয়েক কোয়া রসুন।সেটাও আমরা খুব সহজে আমাদের রান্না ঘরে পেয়ে যাব এবং সর্বশেষ উপকরণ হলো হলুদ।এটাও প্রত্যেকটা বাঙালি রান্নাঘরে আমরা পেয়ে থাকি।এবার বলব কিভাবে ব্যবহার করব।

প্রথমে ওই সর্ষের তেলটা একটু গরম করে নিতে হবে এবং যখন তেল ভালোভাবে গরম হয়ে যাবে তার মধ্যে দিয়ে দিতে হবে ওই রসুনগুলো থেঁতো করে।এরপর যখন রসুন তেলের গন্ধ ছাড়বে তাতে এক চিমটি হলুদ দিয়ে ভালো করে নাড়িয়ে নিয়ে গ্যাস বন্ধ করে দিতে হবে।তারপর দিতে হবে তাতে কয়েকটা ফোটা কর্পূর।সেক্ষেত্রে বাজার থেকে যে ঢেলা কর্পূর পাওয়া যায়। সেটাও দেওয়া যেতে পারে এবার উপকরণটা ভালোভাবে মিশিয়ে হাঁটুতে বেশ ভালো করে মালিশ করতে হবে ততক্ষণ পর্যন্ত যতক্ষণ না এই তেল পুরো চামড়ায় শুষে নেয়।এবার তেল ভালো করে মালিশ হয়ে গেলে একটা তোয়ালে বা গরম কাপড় ওই জায়গায় ভালোভাবে এয়ার টাইট করে লাগিয়ে রাখতে হবে।যাতে একটুও বাইরে থেকে হাওয়া ভেতরে না ঢোকে।

এবার ওই অবস্থায় শুয়ে পড়তে হবে পরের দিন সকালে যখন ঘুম থেকে উঠবে তখন নিজেই অনেকটা উপকার পাবেন।নিয়মিত ব্যবহার করলে কিন্তু অনেক ভালো উপকার পাওয়া যায়।টানা সাত দিন ব্যবহার করে দেখুন দারুন ফলাফল পাবেন।

এই ব্যাপারে বিশদে জানতে নিচের লিংকটি ক্লিক করুন সেই সঙ্গে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেল Bengal Fusion.

অনুলিখন: 
Oindrila Chakraborty
ll