মুখের ত্বকে কি ব্লিচ করেন নিয়মিত?

 চটজলদি সৌন্দর্য পেতে আমরা অনেকেই এমন কিছু কিছু পদ্ধতি নিয়ে থেকে যেটা আমরা নিজেরাও জানি আমাদের ত্বকের জন্য খুবই খারাপ। ঠিক তেমনি এক চটজলদি ফর্সা বা সুন্দর দেখানোর পদ্ধতি হলো ব্লিচ করা। কেউ কেউ তো আবার সৌন্দর্য অটুট রাখার জন্য প্রত্যেক সপ্তাহে একবার করে করেন। কিন্তু এটা যে কতটা ক্ষতিকর ত্বকের জন্য সেটা হয়তো তারা নিজেরাও জানে না। আবার অনেকেই রয়েছেন যারা প্রয়োজনের কারণে কিছুটা মাসে দুবার করে ব্লিচ করেন। তাদের অনেকের ক্ষেত্রে কোন উপায় থাকে না। হয়তো এমন কোন কাজের সঙ্গে তারা যুক্ত বা এমন কোথাও যেতে হবে যেখানে সুন্দর থাকাটা বাধ্যতামূলক।তবে ক্রমাগত যারা ব্লিচ করেন তাদের ত্বকে যে কি মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে সেটা বলে বোঝানো যায় না। অনেকেই মুখের ত্বকের লোমের রং হালকা করার জন্য ব্লিচ করেন। এক্ষেত্রে মুখের লোমের রং হালকা হলেও ত্বকের জন্য ভীষণ ক্ষতি করা হচ্ছে। আবার কেমিক্যাল ব্লিচ আরো বেশি মারাত্মক। সেক্ষেত্রে মাইল্ড ব্লিচ ব্যবহার করতে পারেন যদি একান্তই আপনাকে ব্লিচ ব্যবহার করতে হয় তো। সেক্ষেত্রে মাসে একবার অথবা তিন চার মাসে দুবার ব্যবহার করার প্রয়োজনীয়তা বলে থাকেন বিভিন্ন বড় বড় বিউটিশিয়ানরা।

face_0.jpg

 তবে যদি কারোর  সংবেদনশীল ত্বক হয় সেক্ষেত্রে ব্লিচ এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। তবে সব জিনিসেরই প্রাকৃতিক কিছু উপাদান থাকে। এক্ষেত্রেও রয়েছে। আমাদের প্রাকৃতিক এমন কিছু ব্লিচ রয়েছে যেগুলি আমাদের মুখের ত্বক অনেক বেশি উজ্জ্বল করে কোন রকম ক্ষতি ছাড়াই। তাদের প্রথমেই আছে টক দই। হ্যাঁ টক দই এর মধ্যে এমন উপাদান থাকে যেটা প্রাকৃতিকভাবে ব্লিচিং এর কাজ করে। আরেকটু ভালো ফলাফল পেতে টক দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে নিতে পারেন কয়েক ফোঁটা পাতি লেবুর রস। আবার সঙ্গে টমেটোর রস মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। প্রাকৃতিক ব্লিজ হিসেবে আলু কিন্তু ভীষণ উপকারী একটি উপাদান। আলুর সঙ্গেও কয়েক ফোটা পাতিলেবুর রস মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন মুখে। অনেক ভালো ফলাফল পাবেন কোনরকম ক্ষতি ছাড়াই। অনেকগুলি উপায় বলে দেওয়া রইল এর মধ্যে থেকে যেটি আপনার পছন্দ সেটি ব্যবহার করতে পারেন।

black_0.jpg

এ ব্যাপারে বিশদে জানতে নিচের লিংকটি ক্লিক করুন। একই সঙ্গে আমাদের চ্যানেল Bengal Fusion Beauty Secret সাবস্ক্রাইব করুন।

অনুলিখন: 
Oindrila Chakraborty
ll