আপনার শরীর বুঝে জিম করছেন তো?

সোশ্যাল মিডিয়ার পর্দা চোখ রাখলে এখন মাঝে মাঝেই আমাদের কাছে ফিটনেস ভিডিও ভেসে আসে। আর এই ফিটনেস ভিডিও দেখে অনেকেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ১৮ বছরে পা দেওয়ার ছেলেমেয়েদের মধ্যে একটা আলাদা উত্তেজনা কাজ করে। স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে যেই কলেজের গণ্ডিতে পা রাখার সময় আসে তখন অনেকের মধ্যেই জিমে যাওয়ার একটা প্রবণতা শুরু হয়। জিমে যাব ফিটনেস ফ্রিক হব মাসেল বানাবো এবং অন্যকে আকর্ষণ করব এরকম টুকটাক ভাবনা অনেকের মাথাতেই ঘরে। আর তখনই বাড়ির লোকের সঙ্গে ঝামেলা শুরু হয়। বাড়ির লোক তাদের জিমে যাওয়া আটকায় এবং তারা যেতে চায় ফলে স্বাভাবিকভাবে বাবা-মায়ের সঙ্গে ছেলে মেয়েদের একটা ঝামেলার পরিস্থিতি তৈরি হয়। তবে চিকিৎসকরা বলছেন কিন্তু অন্য কথা।

মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের কথায় যদি সত্যিই কেউ নিজের শরীরকে ফিট রাখবে এমন ভাবনা রাখে তাহলে অবশ্যই তাদের যেতে দেওয়া উচিত। তবে এটা যদি শুধুই লোক দেখানি হয় তাহলে বাবা-মায়ের তাদের বুঝিয়ে বলা উচিত যে জিমে যাওয়ার জন্য কি কি ধরনের নিয়ম মানতে হবে। এবং হঠাৎ করেই যদি জিম ছেড়ে দেওয়া হয় তাহলে তার কি কি ফল হতে পারে। তাদের মতে এমন অনেকে রয়েছেন যারা শুধুমাত্র অন্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য বড় বড় জিমে নাম লিখিয়ে রাখেন। প্রথম এক থেকে দু মাস হয়তো প্রত্যেকদিন জিমে যান কিন্তু তারপর আস্তে আস্তে সেই যাওয়ার দিন গুলো কমতে থাকে।
শরীরচর্চা করলে আমাদের শরীরে বিভিন্ন ধরনের এমন হরমোন নিঃসরণ হয় যেগুলো আমাদের সত্যি কাজে আরও বেশি এনার্জি আনে, শরীর ঝরঝরে রাখে, সেই সঙ্গে আমাদের মেন্টাল হেলথ ঠিক রাখে। তবে শরীর চর্চা করাটাই যদি আসল কারণ হয়ে দাঁড়ায় তাহলে জিমে গিয়েই যে আমাদের শরীর চর্চা করতে হবে তার কোন মানে নেই। বাড়িতেও সামান্য কিছু জিম এর উপকরণ থাকলেই কিন্তু দারুণভাবে শরীর চর্চা করা যায়। পুরোটাই নির্ভর করছে শরীর চর্চা করবে তার ওপর। তবে মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা আরও বিভিন্ন বক্তব্য রেখেছেন এই বিষয় নিয়ে।

এ ব্যাপারে বিশদে জানতে নিচের লিংকটি ক্লিক করুন সেই সঙ্গে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেল Bengal Fusion.


