রূপচর্চায় মসুর ডালের সঠিক উপায় প্রয়োগ

যতটা সহজলভ্য হয়ে গিয়েছে বিভিন্ন প্রসাধনী বা  ত্বকের পরিচর্যা প্রোডাক্ট আগে কিন্তু ততটা সহজলভ্য ছিল না। বিশেষ করে আমাদের মা ঠাকুমাদের আমলে ফেসওয়াশ জিনিসটার ততটা প্রচলন একেবারেই ছিল না। কিন্তু তখন কি তারা শরীর চর্চা কিংবা ত্বক চর্চা করতেন না! এটা ভাবা একেবারেই ভুল। কারণ আগে ত্বক চুল যেকোনো পরিচর্যার জন্য প্রাকৃতিক উপাদান কেই বেছে নেওয়া হতো। অনেকেই মুসুর ডালের ব্যবহার করতেন নিজেদের ত্বককে সুন্দর রাখতে। পাশাপাশি মসুর ডালে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন। তাই ভাতের পাশে অনেকেই  নিয়মিত মসুর ডাল খেয়ে থাকেন।

dal 2_0.jpg

 তবে মসুর ডাল কে রূপচর্চার কাজে কিভাবে ব্যবহার করা যায় আজ সেই নিয়েই কথা বলব। যদি কারো শুষ্ক ত্বক হয় সে ক্ষেত্রে মসুর ডাল ভালো করে বেটে নিয়ে তাতে দুধের সর এবং এক চিমটে হলুদ দিয়ে ভালো করে পেস্ট তৈরি করে নিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। আবার যাদের তৈলাক্ত ত্বক তারা মসুর ডালের সঙ্গে হলুদ এবং এক চামচ টক দই ব্যবহার করতে পারেন। হলুদ অন্যতম প্রাকৃতিক উপাদান ত্বক ঝলমলে করতে। পাশাপাশি মসুর ডাল ত্বকের যে কোন মরা কোষ দূর করতে সাহায্য করে। আর যেকোনো ধরনের দাগ সব বা ট্যান তোলার জন্য টক দইয়ের ভূমিকা অনস্বীকার্য। হলেও সপ্তাহে যদি তিন থেকে চার দিন ব্যবহার করা যেতে পারে এই প্যাক তাহলে ত্বক সত্যি কথা বলবে। একেবারে ঝলমল করে উঠবে গ্ল্যামার।

dal 1_0.jpg

 তবে শুধু যে প্যাক হিসেবে ব্যবহার করা যায় মসুর ডাল এমনটা নয়। অনেকেরই মুখে অবাঞ্ছিত লোম থাকে। সেগুলি দূর করার জন্য কিন্তু মসুর ডাল ভীষণ ভাবে কাজ করে। মসুর ডালের পেস্ট নিয়ে তাতে  চন্দনের গুঁড়ো এবং কমলালেবুর খোসার গুঁড়ো মিশিয়ে নিতে হবে। শীতকালে কমড়ালেবু খেয়ে তার খোসা গুলি যদি জমিয়ে রাখা যায় তাহলে সময়  বিশেষে সেগুলি গুড়ো করে নেওয়া যেতে পারে। কমলালেবুর খোসার গুঁড়ো একান্তই না পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে চন্দনের গুঁড়ো দিয়েই কাজ চালাতে হবে। তবে এই প্যাক মুখে শুকনো হয়ে যাওয়ার পর কিন্তু জল ব্যবহার করা যাবে না। আলতো করে নিচের দিক থেকে উপরের দিকে মাস্কটা তুলতে হবে। একদিন নয় নিয়মিত ব্যবহারেই অবাঞ্ছিত লোম দূরে যাবে।

dal 3_0.jpg

এ ব্যাপারে বিশদে জানতে নিচের লিংকটি ক্লিক করুন। পাশাপাশি আমাদের চ্যানেল Bengal Fusion Beauty Secret সাবস্ক্রাইব করুন।
 

অনুলিখন: 
Oindrila Chakraborty
ll